রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আগামি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ইচ্ছে প্রকাশ করে দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার। কলমা ইউপি বিএনপির রাজনীতিতে হযরত আলীর কোনো বিকল্প নাই।
আদর্শিক,নিবেদিতপ্রাণ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন নেতৃত্ব হযরত আলী মাস্টার প্রার্থী হবার দৌড়ে ইউপি বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে এগিয়ে রয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
জানা গেছে,হযরত আলী মাস্টার একজন সৎ, আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্ব।যিনি কখানো কোনো লোভ-লালসার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে দেননি। যিনি সব সময় শত প্রতিকুলতার মাঝে বিএনপির মুল ধারা ও প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের সঙ্গে রয়েছেন। ব্যক্তি স্বার্থের কারণে কখানো মামা,চাচা,বড় ভাই, ছোট ভাই, এই ডাল বা ওই ডাল ধরে রাজনীতি করেননি।তিনি সব সময় মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে আসছেন।
এদিকে স্থানীয় বিএনপিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা নিয়ে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে মতবিরোধ বা মতপার্থক্যে থাকতেই পারে। কিন্ত্ত এক জায়গায় বিএনপির এসব নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ একট্টা।আর সেটা হলো কলমা ইউপির মতো এতো বড় জায়গায় বিএনপি প্রার্থীর বিজয়ী হতে গেলে, প্রার্থীর যে ধরণের পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা, রাজনৈতিক পরিচয়,কর্মী বাহিনী ইত্যাদি প্রয়োজন তা প্রয়াত শীষ মোহাম্মদ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে হযরত আলী মাস্টারের কোনো বিকল্প নাই।এটা বিএনপি বিরোধীরাও অপকটে শিকার করেন।তারা বলছে,হযরত আলী মাস্টারের নানা কাজের মাঝে দু'একটি কাজ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা বিতর্ক থাকতেই পারে,কিন্ত্ত বিএনপির রাজনীতি ধরে রাখতে তার ও তার পরিবারের যে অবদান সেটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছে, ইতিমধ্যে বিগত আওয়ামী সরকারের সময়ে পর পর দুটি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনি প্রতিদন্দীতা করে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। দুটি নির্বাচনেই চেয়ারম্যান পদে তিনি বিজয়ী হলেও ফলাফল কুক্ষিগত করে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।এবার কলমা ইউপির মানুষ হযরত আলীকে বিজয়ী করে সেই দুঃখ ঘোচাতে চাই।
এদিকে সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে থাকা কলমা ইউপি বিএনপিকে শত প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি সংগঠিত করে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রতিটি ওয়ার্ড ও প্রতিটি গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিএনপির ৩১ দফাকে পৌছে দিচ্ছেন তিনি হলেন হযরত আলী মাস্টার।কলমা ইউপি বিএনপির রাজনীতিতে তার কোনো বিকল্প নাই।
জানা গেছে,বিগত ১৯৮৩ সালে সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিগত ১৯৮৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ভর্তি হন। তিনি ছাত্র জীবনে কলেজ ছাত্র দলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিগত ১৯৯২ সালে তিনি তানোর উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি হিসবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত ২০০৯ সালে নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে তিনি কলমা ইউনিয়ন(ইউপি) বিএনপির সম্পাদক হয়েছেন।বিগত ২০১১ সালে তিনি কলমা ইউপি নির্বাচনে প্রতিদন্দীতা করে বিতর্কিত ফলাফল ঘোষণায় অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। বিগত ২০১৬ সালে কলমা ইউপি নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে প্রতিদন্দীতা করেন।কিন্ত্ত এবারো বিতর্কিত ফলাফল ঘোষণায় তাকে পরাজিত করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তিনি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়াও ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পর পর দুবার বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রাজশাহী জেলার তানোর শাখার সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হযরত আলী মাষ্টার। তিনি কখানো কোনো লোভ লালসার স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি। কখানো কোনো লোভ লালসায় দল নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেইমানি করেননি।
এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করবেন। তিনি বলেন,ভোটারদের মানসিকতা ও নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী দেয়া হলে তার মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের সহযোগিতা ও ইউপিবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মাদক প্রতিরোধ, শতভাগ স্যানিটেন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণের মাধ্যমে কলমাকে স্মার্ট ইউপি হিসেবে গড়ে তুলবেন।
আদর্শিক,নিবেদিতপ্রাণ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন নেতৃত্ব হযরত আলী মাস্টার প্রার্থী হবার দৌড়ে ইউপি বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে এগিয়ে রয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
জানা গেছে,হযরত আলী মাস্টার একজন সৎ, আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্ব।যিনি কখানো কোনো লোভ-লালসার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে দেননি। যিনি সব সময় শত প্রতিকুলতার মাঝে বিএনপির মুল ধারা ও প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের সঙ্গে রয়েছেন। ব্যক্তি স্বার্থের কারণে কখানো মামা,চাচা,বড় ভাই, ছোট ভাই, এই ডাল বা ওই ডাল ধরে রাজনীতি করেননি।তিনি সব সময় মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে আসছেন।
এদিকে স্থানীয় বিএনপিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা নিয়ে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে মতবিরোধ বা মতপার্থক্যে থাকতেই পারে। কিন্ত্ত এক জায়গায় বিএনপির এসব নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ একট্টা।আর সেটা হলো কলমা ইউপির মতো এতো বড় জায়গায় বিএনপি প্রার্থীর বিজয়ী হতে গেলে, প্রার্থীর যে ধরণের পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা, রাজনৈতিক পরিচয়,কর্মী বাহিনী ইত্যাদি প্রয়োজন তা প্রয়াত শীষ মোহাম্মদ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে হযরত আলী মাস্টারের কোনো বিকল্প নাই।এটা বিএনপি বিরোধীরাও অপকটে শিকার করেন।তারা বলছে,হযরত আলী মাস্টারের নানা কাজের মাঝে দু'একটি কাজ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা বিতর্ক থাকতেই পারে,কিন্ত্ত বিএনপির রাজনীতি ধরে রাখতে তার ও তার পরিবারের যে অবদান সেটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছে, ইতিমধ্যে বিগত আওয়ামী সরকারের সময়ে পর পর দুটি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনি প্রতিদন্দীতা করে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। দুটি নির্বাচনেই চেয়ারম্যান পদে তিনি বিজয়ী হলেও ফলাফল কুক্ষিগত করে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।এবার কলমা ইউপির মানুষ হযরত আলীকে বিজয়ী করে সেই দুঃখ ঘোচাতে চাই।
এদিকে সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে থাকা কলমা ইউপি বিএনপিকে শত প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি সংগঠিত করে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রতিটি ওয়ার্ড ও প্রতিটি গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিএনপির ৩১ দফাকে পৌছে দিচ্ছেন তিনি হলেন হযরত আলী মাস্টার।কলমা ইউপি বিএনপির রাজনীতিতে তার কোনো বিকল্প নাই।
জানা গেছে,বিগত ১৯৮৩ সালে সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিগত ১৯৮৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ভর্তি হন। তিনি ছাত্র জীবনে কলেজ ছাত্র দলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিগত ১৯৯২ সালে তিনি তানোর উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি হিসবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত ২০০৯ সালে নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে তিনি কলমা ইউনিয়ন(ইউপি) বিএনপির সম্পাদক হয়েছেন।বিগত ২০১১ সালে তিনি কলমা ইউপি নির্বাচনে প্রতিদন্দীতা করে বিতর্কিত ফলাফল ঘোষণায় অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। বিগত ২০১৬ সালে কলমা ইউপি নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে প্রতিদন্দীতা করেন।কিন্ত্ত এবারো বিতর্কিত ফলাফল ঘোষণায় তাকে পরাজিত করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তিনি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়াও ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পর পর দুবার বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রাজশাহী জেলার তানোর শাখার সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হযরত আলী মাষ্টার। তিনি কখানো কোনো লোভ লালসার স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি। কখানো কোনো লোভ লালসায় দল নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেইমানি করেননি।
এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করবেন। তিনি বলেন,ভোটারদের মানসিকতা ও নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী দেয়া হলে তার মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের সহযোগিতা ও ইউপিবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মাদক প্রতিরোধ, শতভাগ স্যানিটেন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণের মাধ্যমে কলমাকে স্মার্ট ইউপি হিসেবে গড়ে তুলবেন।
আলিফ হোসেন